৪ আগস্ট, ২০২১বুধবার

৪ আগস্ট, ২০২১বুধবার

মিশরের রহস্যময়ী রানী ক্লিওপেট্রার মমির সন্ধান করতে গিয়ে মিলল সোনার জিভ‌ওয়ালা ১৬ টি মমির

অভিযানটি চালানো হয়েছিল প্রাচীন মিশরের রহস্যময়ী রানী ক্লিওপেট্রার মমির সন্ধানে। কিন্তু ক্লিওপেট্রার মমি খুঁজে পাওয়া না গেলেও খুব একটা হতাশ হতে হয়নি গবেষক দলকে। কারণ তারা সোনার জিভ সহ ১৬ টি মমি খুঁজে পেয়েছেন। প্রাচীন মিশরের ইতিহাস নিয়ে গবেষণায় এটা একটি নতুন দিক খুলে দিল বলে মনে করছে গবেষক দলটি। তাদের ধারণা প্রাচীন মিশরের মৃত্যুর দেবতা ওসিরিসের সঙ্গে মৃত্যু পরবর্তী জীবনে যাতে এই মমিরা কথা বলতে পারত সেই জন্য তাদের মৃতদেহে সোনার জিভ লাগিয়ে দেওয়া হত। মনে করা হচ্ছে এই ১৬ টি মমি সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ কোনও ব্যক্তির হবে। কারণ সাধারণ মানুষের মমিতে সোনার জিভ লাগিয়ে রাখার সম্ভাবনা একপ্রকার নেই বলতে গেলে।

আরও পড়ুন
সন্তানকে মানুষ করতে ৪৩ বছর পুরুষের পরিচয়েই কাটিয়ে দিলেন এই মহিলা!

মিশরের রহস্যময়ী রানী ক্লিওপেট্রার মমির সন্ধান করতে গিয়ে মিলল সোনার জিভ‌ওয়ালা ১৬ টি মমির

প্রাচীন মিশরের রাজধানী যে আলেকজান্দ্রিয়া শহরে ছিল সেখানেই ক্লিওপেট্রার মমির সন্ধানে এই গবেষক দলটি অভিযান চালায়। এই জন্য তারা ১৬ টি সমাধি খুঁড়ে মমিদের বাইরে বের করে আনে। এই ১৬ টি মমির‌ই মুখের মধ্যে সোনার জিভ লাগানো ছিল। তবে এই মমিগুলি আরও নানান কারণে গবেষক দলটির নজর কেড়েছে। কারণ একটি মমির কফিনে মৃত্যুর দেবতা ওসিরিসের প্রতিচ্ছবি অঙ্কন করা ছিল। এর পাশাপাশি আরেকটি মমিতে রাজমুকুটের পাশাপাশি সোনার পেন্ডেন্ট তারা খুঁজে পেয়েছেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই মমির সঙ্গে একটি দীর্ঘ শঙ্খচূড় সাপের মৃতদেহ‌ও খুঁজে পেয়েছেন তারা। তাদের অনুমান সম্ভবত এটি মিশরের কোন‌ও রাজার রাজপুত্রের মমি।

 

সেই সঙ্গে তারা এই মমিগুলির সঙ্গে একটি মেয়ের মুখোশ ও আটটি মার্বেলের তৈরি মুখোশ খুঁজে পেয়েছেন, যা যথেষ্ট অভিনব বিষয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রাচীন মিশরের ইতিহাস জানার ক্ষেত্রে এই মমিগুলি তাদের অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে জানিয়েছেন গবেষক দলের প্রধান ক্যাথলিন মার্টিনেজ।

আরও পড়ুন
কাঠের পাটাতনের নিচে লুকিয়ে থাকা পাহাড়ি সিংহকে বনবিড়াল ভেবে বসলেন মার্কিন মহিলা! তারপর কি হল?

মিশরের রহস্যময়ী রানী ক্লিওপেট্রার মমির সন্ধান করতে গিয়ে মিলল সোনার জিভ‌ওয়ালা ১৬ টি মমির

রোম সম্রাট জুলিয়াস সিজারের সমসাময়িক মিশরের রানী ক্লিওপেট্রার মনের হদিশ পাওয়া না গেলেও এই ১৬ টি মমির ইতিহাস জানতে এই মুহূর্তে উঠে-পড়ে লেগেছে ওই গবেষক দলটি। তবে আরেকটি বিষয় তাদের কাছে খুব লক্ষণীয় ঠেকেছে। অন্য অনেক মমির মত এগুলি খুব যত্ন করে রাখা ছিল না। অর্থাৎ মৃতদেহগুলিকে মমিতে পরিণত করার ক্ষেত্রে খুব একটা যত্নের পরিচয় পাননি গবেষক দলটি। তারা মনে করছেন বিশেষ কারণে হয়ত তাড়াহুড়ো ছিল তাই সঠিকভাবে মমি তৈরি করা সম্ভব হয়নি।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

7,808FansLike
19FollowersFollow

Latest Articles

error: Content is protected !!