১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১রবিবার

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১রবিবার

ইজিয়ান সাগরের তলদেশে আস্ত জাদুঘর বানালো গ্রিস

জলের নিচে আস্ত জাদুঘর। না, কোনও কৃত্রিমভাবে তৈরি অ্যাকোরিয়াম বা জলাশয় নয়, ইজিয়ান সাগরের তলদেশে বন্ধন মুক্ত অবস্থায় প্রথম এই ধরনের মিউজিয়াম বা জাদুঘর তৈরি করলো গ্রিস। অবশ্য এই জাদুঘর ২০২০ সালে প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণে সেই সময় সাধারণ পর্যটকদের জন্য তা খুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলে সাধারণের জন্য এই জাদুঘর খুলে দেয় সে দেশের সরকার।

 

ইজিয়ান সাগরের জল অত্যন্ত স্বচ্ছ। উপর থেকে পরিষ্কার দেখা যায় এর তলদেশে কি আছে। অবশ্য এই সাগরের গভীরতা তুলনায় অনেকটাই কম। এই সমস্ত বিষয় মাথায় রেখেই গ্রিস সরকার অ্যালোসিনোস দ্বীপের নিকটবর্তী ইজিয়ান সাগরের তলদেশে এই অদ্ভূত জাদুঘর গড়ে তুলেছে।

আরও পড়ুন
সময়ের অতলে হারিয়ে যাওয়া দুই বাংলার মেয়েদের ব্রত অনুষ্ঠান

এখানে ধ্বংস হয়ে যাওয়া প্রাচীন জাহাজের ধ্বংসাবশেষ যেমন আছে, তেমনই ২,৫০০ বছরের পুরানো মদের পিপে, গ্রিসের বিভিন্ন জায়গার প্রাচীন প্রত্নসামগ্রীর নিদর্শন রাখা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রত্ন নিদর্শন যত্নসহকারে সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

 

তবে সমুদ্রের তলদেশে এই জাদুঘর নির্মিত হওয়ায় এখানে সাধারণ উপায়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ডুবুরীর পোশাক পড়ে সাঁতার কেটে এই জাদুঘরে পৌঁছাতে হবে। সঙ্গে অবশ্য একজন গাইড এবং প্রত্নতত্ত্ববিদ অবশ্যই থাকবেন। স্বাভাবিকভাবেই ডাইভিং এর মজার পাশাপাশি জাদুঘর ঘুরে দেখার সুযোগ, এই দুইয়ের যৌথ টানে এখানে ক্রমশ ভিড় জমাচ্ছেন পর্যটকরা।

আরও পড়ুন
জীবনের সব স্মৃতি নিয়ে আর্জেন্টিনার সমুদ্রগর্ভে দোতলা বাড়ি!

তবে এই অনন্য জাদুঘরের মজা নিতে গেলে পকেট থেকে একটু বেশি পরিমাণ রেস্ত খসাতে হবে। প্রতিবার এই জাদুঘরে যাওয়ার জন্য একজন পর্যটককে ৯৫ ইউরোর টিকিট কাটতে হচ্ছে, যা সাধারণ ডাইভিং এর দ্বিগুণ খরচ। যদিও এইরকম সুযোগ অতিরিক্ত খরচের জন্য হাতছাড়া করতে রাজি নন সেখানকার পর্যটকরা। গ্রিস সরকারের আশা পর্যটকদের এই আগ্রহের উপর ভর করে তারা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারবে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

7,808FansLike
19FollowersFollow

Latest Articles

error: Content is protected !!