১১ মে, ২০২১মঙ্গলবার

১১ মে, ২০২১মঙ্গলবার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়েও ভিড়ের হৃদয়ে কোনো পরিবর্তন নেই

কোভিড-উনিশ সংক্রমণের উপসর্গগুলো এখন অনেকেরই খানিকটা জানা হয়ে গেছে। নয় নয় করেও ভারতে অতিমারির প্রকোপ বছর খানেকের ওপর হতে চলল। ফলে চোদ্দো দিনের বীজাণুচক্রব্যূহে আটক থাকার ভোগান্তিও অনেকটাই পরিচিত। চেনা-অচেনার বহু অন্ত্যেষ্টির মতোই।  

 

অসম্ভব দুর্বলতা আর অবসাদ কোভিড সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ। বহুজনের ক্ষেত্রেই তা দেখা গেছে। জ্বর, সর্দি-কাশি, গন্ধ আর স্বাদ না পাওয়া, খিদে না-হওয়া, গাঁটের ব্যথা, পেশির ব্যথা, পাকস্থলীর সমস্যার মতো লক্ষণগুলোও রয়েছে। তবে অনেকসময় মৃদু উপসর্গ ছাড়াও আক্রান্ত রোগীর দেখা মিলছে। আর সে সংখ্যাও খুব একটা কম নয়। আবার যেসব উপসর্গ তেমন-একটা দেখা যায়নি, যেমন তলপেটে ব্যথা, বমি-বমি ভাব, বমি হওয়া, শীত করা, এসবও ক্রমে সামনে আসছে। 

 

বিশ্বজোড়া এই ব্যাধির ঢেউ থেকে কোনো দেশই গা বাঁচিয়ে থাকতে পারেনি। ফলে কোথাও আংশিক, তো কোথাও আবার সার্বিক তালাবন্ধ পরিস্থিতি ঘোষণা করতে হয়েছে। তার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতির ওপরও পড়েছে। শোচনীয় হাল হয়েছে বহু মানুষের। বহু প্রতিষ্ঠান ঝাঁপ ফেলার কারণেও কর্মহীন হয়েছেন অসংখ্য মানুষ। পাশাপাশি মৃতের সংখ্যাও লাফিয়ে বেড়েছে সব দেশেই। তার দরুন প্রতিরোধের চিন্তায় সারাবিশ্বেই চলেছে যুদ্ধজয়ের আয়োজন।   

আরও পড়ুন
বাংলায় একদিনে করোনা সংক্রিমিত ৩৬০০ এর বেশি, বাড়ছে উদ্বেগ

 

সংক্রমণ প্রতিরোধে যাবতীয় চেষ্টার পাশাপাশি করোনা বীজাণু্রও পরিবর্তন ঘটেছে আবার। নতুন রূপ ধরে আরও মারাত্মক হয়ে উঠেছে। আরও বেশি ক্ষমতায় শরীরের প্রধান অঙ্গগুলিকে আক্রমণে একেবারে অকেজো করে দিতেও সক্ষম। আরও সব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যেমন—    

 

  • কনজাংটিভাইটিসের মতো চোখ লাল হওয়াও এখন সন্দেহজনক। তা নাকি করোনা সংক্রমণের অন্যতম উপসর্গ। অন্তত চীনের এক সমীক্ষায় যা দেখা গেছে। চোখ লাল হওয়া, চোখ ফোলা, চোখে অনবরত জলকাটা সবই আছে। নতুন ধরনের করোনা বীজাণুতে আক্রান্ত সেখানে জনা বারোর ভেতর সমীক্ষা চালিয়ে এগারো জনের শরীরেই কনজাংটিভাইটিসের লক্ষণগুলো ধরা পড়েছে। তাদের নাক থেকেই শ্লেষ্মা নেওয়া হয়েছিল। তার ভেতর দু-জনের আবার নাক ছাড়া চোখ থেকেও রস নেওয়া হয়। কোভিডের সঙ্গে এই জাতীয় লক্ষণের সম্পর্ক প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে গবেষকরা জানাচ্ছেন, চোখও এক্ষেত্রে শরীরে বীজাণু সংবহনের মাধ্যম, আর সেখান থেকেই ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটাও সম্ভব। চোখের অকুলার মিউকাস মেমব্রেনের মাধ্যমে তা শরীরে ছড়ায়। তবে ওই বীজাণু দৃষ্টিলোপ করে কি না তা আরও গবেষণাসাপেক্ষ।

 

  • শুনতে না-পাওয়া, বা অহরহ কানের মধ্যে ঝিঁ-ঝিঁ শব্দ শোনাও কোভিড বীজাণু সংক্রমণের আরেক লক্ষণ মনে করা হচ্ছে। শ্রুতিবিজ্ঞানের ওপর একটি আন্তর্জাতিক পত্রিকা সূত্রে সম্প্রতি জানা গেছে, করোনা সংক্রমণে শোনার ক্ষেত্রেও সমস্যা হতে পারে। একটি বা দু-টি কানেই অবিরত ভোঁ-ভোঁ বা ঝিঁ-ঝিঁ শব্দ শোনার মতো উপদ্রব জুটলে, সাময়িক কালা হওয়ার মতো অভিজ্ঞতাও হয়েছে কারও কারও। সমীক্ষাটিতে দেখা গেছে সাড়ে সাত শতাংশের সামান্য বেশি মানুষ কোভিড আক্রান্ত হয়ে এই জাতীয় অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন।

 

  • বলা হচ্ছে, করোনায় শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা থাকলেও, অনেকের আবার সেক্ষেত্রে পাকস্থলীর কোনো সমস্যা নাও ঘটতে পারে। তবে বিভিন্নজনের ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, পেটখারাপ আর বমির উৎসও করোনা সংক্রমণ। যার দরুন বিশেষজ্ঞদের চেতাবনি, এই সময় পেটখারাপ আর বমি হলে তা হালকাভাবে নেওয়া একেবারেই উচিত হবে না। শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা ছাড়াও কোভিড সংক্রমণে মূত্রাশয়, যকৃৎ আর অন্ত্রেও তার প্রভাব পড়তে পারে।        

আরও পড়ুন
দেশে আবারও চালু হল করোনা বিধি, এপ্রিলের প্রথম থেকে ৪৫ বছরের উর্ধ্বে সবাই ভ্যাকসিন পাবে

 

ইতিমধ্যে বিভিন্ন টিকার উৎপাদন আর তা দেওয়া-নেওয়াও হচ্ছে। ভারতে আপাতত কোভ্যাক্সিন, কোভিশিল্ডই বেশি চালু। এ দুটির বাইরেও আরও সব টিকা রয়েছে, কিছু-বা বেরোনোর অপেক্ষায় দিন গুনছে। বিশেষ কোনো টিকার পরিণাম সুবিধেজনক না হওয়ায়, সে নিয়েও চিকিৎসাজগতে প্রশ্ন উঠেছে। সংবাদ সূত্রে এসবই আমাদের জানা।     

 

আবার প্রতিষেধকও যে বীজাণুকে পুরোপুরি বাগে আনতে পারবে, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই। আরও ক্ষমতাশালী হয়ে প্রতিষেধকের বিরুদ্ধেই তাল ঠুকছে বীজাণু। সুতরাং নিরাপত্তার স্বার্থে শরীরে রক্ষাকবচ রাখার চেষ্টা মাত্র। যাতে আঘাত এলেও নতুন করে, কায়াপুর না তছনছ হয়ে যায়। অন্তত প্রকোপের তীব্রতা কমাতে, শমনকে ঠেকাতে,সংক্রমণের দরুন কোনো দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা আটকাতে একটা ‘কবচ’ দরকার। স্বনামধন্য ডাক্তার কুণাল সরকার এক্ষেত্রে বেশ একটা উদাহরণও দিয়েছেন। গাড়ির সিট-বেল্ট যেমন দুর্ঘটনাকে রোধ করতে পারে না, কিন্তু দুর্ঘটনায় পড়লে আঘাতের মাত্রা কিছুটা কমাতে সাহায্য করে, এও তেমনই। 

আরও পড়ুন
“ভ্যাকসিন ট্যুরিজম” ঘুরতে যান, সেই সঙ্গে ভ্যাকসিন নিয়ে ফিরে আসুন

 

প্রতিরোধের অন্যসব রাস্তা বাতলাতেও নানারকম নিদান দেওয়া চলছে। তার অনেকটাই রোজকার জীবনে মেনে চলার বিষয়। যথাসম্ভব জমায়েত কমানো, বদ্ধ জায়গায় ঘেঁষাঘেঁষি সহাবস্থান না করে ন্যূনতম দূরত্ব  বজায় রাখা, মুখে মাস্ক পরা, বীজাণু দূরীকরণের আরক ব্যবহার তো আছেই। বিশেষত চাকরিজীবী নিত্যযাত্রীদের অনেকেই ইতিমধ্যে অভ্যস্ত হয়েও উঠেছেন সেসবের ব্যবহারে।  

 

এর পাশাপাশি তেমনই আবার নিয়ম করে প্রতিদিন গরম ভাপ নেওয়ার কথাও বলা হচ্ছে। যাতে নাকি বীজাণুর এন্তেকাল ঘটে। শুধু গরম জল খেলে তা গলার পক্ষে হয়তো উপকারী। কিন্তু আমাদের নাকের গভীরে লুকিয়ে থাকা কোভিড-উনিশ বীজাণুকে তা ঠেকাতে পারে না। ফলে শ্বাসনালি এবং তারই মাধ্যমে হৃদ্‌যন্ত্রে সংক্রমণ ঘটে যায়। এক্ষেত্রে প্রতিরোধ অনেকটাই সম্ভব নাকি গরম জলের ভাপ নেওয়ার মাধ্যমে। অন্তত সেরকমই বলা হচ্ছে। এর বেশ কিছু খুটিনাটি বিবরণও ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে অনেকের অবগতির জন্য।  

 

বলা হচ্ছে, (১) সাধারণত বাড়িতে যাঁরা থাকেন, তাঁদের পক্ষে দিনে এক বার, (২) বাজারহাটে বেরোতে হয় যাঁদের নিয়মিত, তাঁরা দিনে দু-বার, আর (৩) যাঁরা চাকরিজীবী, অফিসকাছারি করতে হয় নিয়মিত, তাঁদের পক্ষে দিনে তিন বার, অন্তত মিনিট পাঁচেক গরম জলের ভাপ নেওয়া উপকারক হবে। এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে, যাঁরা চাকরিজীবী নিত্যযাত্রী, তাঁদের পক্ষে কি আদৌ সম্ভব দিনে তিন বার ভাপ নেওয়া? আবার এই ভাপ নেওয়ার বিষয়টি জনস্বাস্থ্য দফতরের জানা থাকা সত্ত্বেও কেন সেভাবে প্রচারে আনছে না, সে নিয়েও প্রশ্ন  উঠেছে।     

আরও পড়ুন
কমছে না খুশখুশে কাশি, ভুগছেন শ্বাসকষ্টে আর গলা ব্যাথায়? কাজ দিতে পারে তেজপাতার বিড়ি

 

কিন্তু চেনা-অচেনা বহুজনকে দেখা যাচ্ছে মাস্ক ছাড়াই অবিরত ঘুরে বেড়াতে। ট্রেনে-বাসে, লঞ্চে-নৌকোয়, রাস্তাঘাটে, মিছিলে-মিটিঙে এঁড়ে-বকনা সমস্তই এক গোয়ালের বাসিন্দা। চোরা না শোনে ধম্মের কথা! কে এদের ভালো করবে! প্রশাসন বড়ো জোর পুলিশি নজরদারিতে বড়ো অঙ্কের জরিমানা ধার্য করতে পারে। কিছু খালি চোখে দেখে, কিছু-বা সিসি টিভি ফুটেজে। কিন্তু সে-নজরে কতজনই-বা ধরা পড়বে এই জনবিস্ফোরণের দেশে? দ্বিতীয় ঢেউটি ভারতে আছড়ে পড়লেও, ভিড়ের হৃদয়ে এখনও তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে কি? 

 

দ্বিতীয় ঢেউয়ে ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা দিনে দু-হাজার পেরিয়েছে। সংখ্যাটা লাফিয়েই বাড়ছে, ক্রমশ বাড়তেও থাকবে। সারাদেশে এখন ৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৬৪৪ জন আক্রান্ত। এর মধ্যেই চলেছে নিত্যদিন ভোটের প্রচার। রোড শো, জনসমাবেশে হ্রাস টানার কোনো আন্তরিক ইচ্ছে কোনো পক্ষেরই আছে বলে মনে হয় না। যদিও বামপন্থী আর কংগ্রেসিরা খানিকটা সমঝে চলার পক্ষপাতী। বড়ো জমায়েত কার্যত বাতিলই করেছে। কিন্তু বিজেপি আর তৃণমূলের সদম্ভ চাপান-উতোরে অংশ নিতে বিরাট সংখ্যকের মনোভাবই হল, ‘আগে তো জেতাই দলটাকে, তার পর দেখা যাবে করোনা!’  

আরও পড়ুন
করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতেই রাস্তায় পুলিশ, মাস্ক ছাড়া বেরোলেই গ্রেফতার করা হচ্ছে

 

হিতাহিত জ্ঞানশূন্য রাজনীতির চাষ করলে যা হয়, এ তারই ফসল। জীবনের চেয়েও যাদের কাছে দলাদলির  মূল্য বেশি, তার হুঁশ কে ফেরাবে? যে ভিড়ের হৃদয়ে এ-কথা বাসা বেঁধেছে, তার পরিবর্তন কে করবে! তাদের নেতা-নেত্রীরাও তো সেরকমই। কেউই তো তাদের স্বাস্থ্যসচেতন করেনি। বরং ভোটের হিসেব গুনতে স্বাস্থ্যসাথী নামের একটা পাশ দিয়ে রেখেছে, ইতিমধ্যেই যা প্রশ্নকণ্টকিত। কোভিডের প্রথম পর্যায়ের চেয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের মারাত্মক আঘাতের কথা মনে করিয়ে কোনো চেতাবনি দিয়েছে কি? উলটে চেয়েছিল তাদের কাছ থেকে নির্ভেজাল আনুগত্য, হাততালি, অন্ধ সমর্থন শুধু। যা ভোটের তরি পার করতে খুবই দরকার।      

 

তারই জন্য আবার প্রতিপক্ষকে নাটুকে সুর করে ভেঙাতেও কুণ্ঠিত নন দেশের প্রধান চালক। যা ভাঁড়ের কম্ম, সেই লোক-হাসানো নাটুকেপনাই তাঁরও দস্তুর হয়ে ওঠে অধিকাংশ সভায়। সস্তার হাততালিটা পেতে চান এই ভোটরঙ্গের বড়ো নাটুয়া হিসেবে। তিনিও তো আসলে সেই ভিড়ের হৃদয়েরই বাসিন্দা। যে-পরিবর্তনের ডাক তিনি দিচ্ছেন ভোটের তরিতে চড়ে, সেও কি শুধু গালভরা মনে হয় না তাঁর পূর্বাপর হাঁকাইকিরি মনে রাখলে? মনে কি হয় না, আর-যেখানেই পরিবর্তন হোক-না-কেন, ভিড়ের হৃদয়ে কোনো পরিবর্তন নেই অন্তত?     

আরও পড়ুন
দিল্লিতে লকডাউন হতেই ফিরে এলো পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা, ইতিমধ্যেই মৃত্যু ৩

 

এদিকে রাজ্যের শাসন দখলের লক্ষ্যে নিত্যদিন দিল্লি থেকে কেউকেটাদের আগমন আর তাঁদের জনসভা, রোড শো-র ফলে বাংলায় সংক্রমণ বেড়েছে, সে-কথা বলেই দুষছেন এখানকার শাসনকর্ত্রী। স্থানীয়দের না নিয়ে দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ-বিহার থেকে লোক আনিয়ে নাকি মণ্ডপ তৈরি, খাদ্য সরবরাহ করাচ্ছে কেন্দ্রের শাসক দলটি। অর্থাৎ ‘বহিরাগত’দের দিয়ে করানো হচ্ছে। তাদের মারফতই ছড়াচ্ছে কোভিড-উনিশ বীজাণু, এটাই তাঁর অভিযোগ।

 

নির্বাচন কমিশনও পশ্চিমবাংলায় আট ভাগে বিভক্ত ভোটদানের পর্বটি কমানোর পথে হাঁটেনি। যদিও রাজ্যের বর্তমান শাসক দল তার বিপক্ষেই ছিল প্রথম থেকে। সম্প্রতি কমিশনের ডাকা সর্বদলীয় সভাতেও বাকি  তিন দিনের ভোট এক দিনে করার পক্ষে তারা মতপ্রকাশও করেছিল। কিন্তু তাদের কথা গ্রাহ্য হয়নি। দিনক্ষণের পরিবর্তন না করে বরং প্রচারের ক্ষেত্রে হ্রাস টানার পথে গিয়েছে কমিশন।       

আরও পড়ুন
দেশে অক্সিজেন সঙ্কট ঘোচাতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর, আপাতত সঙ্কট কিছুটা কাটলো

 

বেশ তো অধোগতির দিকেই ছিল এখানে সংক্রমণের হার। আকস্মিক এই বেড়ে যাওয়ার দায় কি কোনো পক্ষই এড়িয়ে যেতে পারেন? যে লোকজন নিয়ে, যাদের দিকে তাকিয়ে তাঁদের এত কথার বেসাতি, সংক্রমণ আর মৃত্যুহার যদি ক্রমশ বাড়তে থাকে, বলা বাহুল্য বাড়বেও, তার ফলাফল কারও পক্ষেই খুব মঙ্গলজনক হবে কি? এই দুর্যোগে তাই অনেকেরই প্রশ্ন,‘কত হাজার মরলে তবে বলবে তুমি শেষে—  ‘বড্ড বেশি মানুষ গেছে বানের জলে ভেসে’?’ 

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

7,820FansLike
20FollowersFollow

Latest Articles

error: Content is protected !!